রোববার (২৮ জুন) বিকেলে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার স্পষ্ট করে বলেন, “গত ২৪ ও ২৬ জুন তুরাগ নদী থেকে সুমন ও রনি নামে যে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, তাদের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক মিছিল বা কর্মসূচির দূরতম কোনো সম্পৃক্ততা নেই।”
মরদেহ দুটির প্রকৃত পরিচয় ও মৃত্যুর কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, নিহত সুমন মূলত নৌকা ভ্রমণে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মারা যান। অন্যদিকে, রনি নামের অন্য যুবকটি নদীতে গোসল করতে নেমে ডুবে মারা যান। দুটি ঘটনার পরই নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট থানায় পৃথক দুটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে দাবি করা হচ্ছিল যে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের একটি মিছিল থেকে ৭ জন নিখোঁজ হয়েছেন এবং পরে তাদের লাশ তুরাগ নদীতে পাওয়া গেছে।
এই দাবির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে এসপি শামীমা পারভীন বলেন, “নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল থেকে ৭ জন নিখোঁজ হওয়ার মতো কোনো ঘটনার অস্তিত্ব নেই এবং এ ধরনের কোনো তথ্য জেলা পুলিশের জানা নেই। একটি মহল কেবলই রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এমন সংবেদনশীল অপপ্রচার চালাচ্ছে।”
পুলিশ সুপার আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ধরনের বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে জনমনে আতঙ্ক বা বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তাদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে। অতি দ্রুতই এই অপপ্রচারকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে।
এবিডি.কম/রাজু